dood111 বিশ্বাস করে যে গেমিং হওয়া উচিত বিনোদন, সমস্যা নয়। আমরা আপনাকে নিরাপদ, সচেতন এবং নিয়ন্ত্রিত গেমিং অভিজ্ঞতা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিজের সীমা নির্ধারণ করুন, সময় ও বাজেট ট্র্যাক করুন এবং স্বাস্থ্যকর গেমিং অভ্যাস তৈরি করুন।
আমরা চাই আপনার গেমিং অভিজ্ঞতা থাকুক নিরাপদ, মজাদার এবং নিয়ন্ত্রিত। নিচের নীতিগুলো আমাদের সব কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু।
আমরা বয়স যাচাই, পরিচয় নিশ্চিতকরণ এবং প্রতারণা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি। শুধুমাত্র ১৮+ ব্যক্তিরা dood111 ব্যবহার করতে পারবেন।
জমা সীমা, ক্ষতি সীমা, সেশন টাইম লিমিট — সব কিছু আপনার হাতে। আপনি নিজেই ঠিক করবেন কতটুকু সময় ও টাকা ব্যয় করবেন।
গেমিং আসক্তির লক্ষণ, ঝুঁকির বিষয়গুলো এবং কীভাবে সাহায্য চাইবেন — সবকিছুই আমরা স্পষ্টভাবে জানাই। জ্ঞানই শক্তি।
আপনার সমস্যা হলে আমাদের সাপোর্ট টিম ২৪/৭ উপলব্ধ। এছাড়া আমরা পেশাদার সহায়তা সংস্থার সাথে যুক্ত আছি।
মনে হচ্ছে একটু বেশি হয়ে গেছে? যেকোনো সময় বিরতি নিন। আমরা টেম্পরারি এবং পার্মানেন্ট স্ব-বর্জন অপশন দিয়েছি।
আপনার সব লেনদেন, জয়-পরাজয়ের রেকর্ড এবং ব্যয়িত সময় সহজেই দেখতে পারবেন। নিজের অভ্যাস পর্যবেক্ষণ করুন।
আমরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং টুল ব্যবহার করে আপনাকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দিয়েছি। নিজের গেমিং আচরণ সম্পূর্ণভাবে পরিচালনা করুন।
প্রতি দিন, সপ্তাহ বা মাসে কতটাকা জমা দিতে চান তার সীমা ঠিক করুন। একবার সীমা নির্ধারণ করলে তা অতিক্রম করতে পারবেন না।
প্রতিদিন সর্বোচ্চ কত টাকা হারাতে পারবেন তার সীমা নির্ধারণ করুন। এই পরিমাণ পূরণ হলে আপনার অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবরুদ্ধ হবে।
এক বার খেলার জন্য কত সময় দিতে চান? আপনি নির্ধারণ করুন। সময় শেষ হলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট হয়ে যাবেন।
যদি মনে হয় আপনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন, তাহলে নিজেকে দীর্ঘমেয়াদে বর্জন করতে পারেন। এই সময়ে dood111 এ প্রবেশাধিকার থাকবে না।
দীর্ঘ সময় ধরে খেলার সময় আমরা আপনাকে একটি পপ-আপ পাঠাব যাতে আপনি কতক্ষণ খেলেছেন তা জানতে পারেন। একটু থেমে ভেবে দেখুন।
আপনার সমস্ত লেনদেন, খেলার সময় এবং জয়-পরাজয়ের রেকর্ড যেকোনো সময় দেখতে পারেন। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রণ।
নিচের লক্ষণগুলো দেখা গেলে এটি একটি সংকেত যে আপনি সঠিক পথে নেই। এই অনুভূতিগুলো অবিলম্বে সিরিয়াসলি নিন।
পরিকল্পনার চেয়ে অনেক বেশি সময় খেলে যাওয়া। ঘুম ও কাজ প্রভাবিত হওয়া।
বাজেটের বাইরে খরচ করা। গেমিং নিয়ে উদ্বেগ বা আর্থিক চাপ অনুভব করা।
খেলার কথা ক্রমাগত মনে আসা। হার মানার পর তৎক্ষণাৎ ফিরে আসা চেষ্টা।
পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কমিয়ে আনা। গেমিং নিয়ে মিথ্যা বলা।
জেতার জন্য ধীরে ধীরে বেশি টাকা বাজি ধরা। নিয়ন্ত্রণ হারানো।
সমস্যা স্বীকার করতে অস্বীকার। প্রিয়জনদের উদ্বেগ খারিজ করা।
গুরুত্বপূর্ণ: এই লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দেখা গেলে অবিলম্বে সাহায্য চান। লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। এটি একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং চিকিৎসাযোগ্য।
যদি আপনি বা আপনার কোনো প্রিয়জন সমস্যায় থাকেন, তাহলে এখানে অনেক সাহায্য রয়েছে। আপনি একা নন।
আমাদের সাপোর্ট টিম সর্বদা আপনার সাহায্যের জন্য প্রস্তুত। যেকোনো প্রশ্ন বা সমস্যায় যোগাযোগ করুন।
গেমিং আসক্তি, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা নিয়ে বিনামূল্যে তথ্য ও গাইড পাবেন।
অন্যান্য ব্যবহারকারীদের সাথে সংযোগ করুন এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন। একসাথে শক্তিশালী।
স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের জন্য রেফারেল এবং মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকা।
আমাদের ব্যবহারকারীরা দায়িত্বশীল খেলা নিয়ে যা সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন করেন।